বর্তমান সময়ে তরুনদের কাছে সবচাইতে হট টপিক বা আলোচিত একটি শব্দ টি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) ফ্রিল্যান্সিং প্রথম শুরু হয়েছিলো ১৯৯৮ সালের দিকে। অনলাইনে একটা মার্কেটপ্লেস খোলা হয়েছিলো, সেখান থেকেই বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের শুরু।
ফ্রিল্যান্সিং কি?
শুরুতে আমি আপনাকে বলবো ফ্রিল্যান্সিং জিনিস টা আসলে কি? ফ্রিল্যান্সিং আসলে জবের মতোই।আমরা যদি কোন কম্পানিতে জব করতে চাই তাহলে আমরা কি করি?
ঐ কোম্পানি সার্রকুলার দিলে তখন আমরা জবের জন্য এপ্লাই করি, সিভি সাবমিট করি এবং জবটি হয়ে গেলে সে কোম্পানিতে নির্দিষ্ট একটি দায়িত্ব পালন করতে থাকি।
এবং পার মান্থ একটা সেলারি জেনারেট হয় সে কাজের বিনিময়ে তো ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে সে ধরনের একটি জব।
অনলাইনে বিভিন্ন কম্পানি বিভিন্ন মানুষদেরকে হায়ার করে থাকে সে কোম্পানি গুলোর বিভিন্ন কাজ করে দেয়ার জন্য।যেমন কোন কোম্পানি যদি নতুন লঞ্চ হয় তার একটা লোগো দরকার তো সে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে হায়ার করে করিয়ে নেয়,আবার একটা কম্পানির ওয়েব সাইটেরও প্রয়োজন সো, সে একজন ওয়েব ডেভলোপারকে হায়ার করে অনলাইনে সে কোম্পানি তাদের জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করে নেয়।
আমি যেমন একজন ওয়েব ডেভেলপার , আমি বিভিন্ন কোম্পানির জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করে দেই এবং এটার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করি অথাৎ আপনি অনলাইনে আপনার যে দক্ষতা বা স্কিল আছে অথবা যে বিষয়টি আপনি জানেন বা ভবিষ্যতে শিখে নেবেন সেই দক্ষতা দ্বারা আপনি বিভিন্ন কোম্পানিকে সহযোগিতা করবেন বিনিময়ে সেই কোম্পানি আপনাকে পেমেন্ট করবে।
কিন্ত নরমালি আমরা যে জব গুলি করি তার সাথে ফ্রিল্যান্সিয়ের একটা ডিফারেন্স আছে আর সেটা হচ্ছে আমরা যদি লোকালি আমাদের বাংলা দেশী কোন কোম্পানিতে জব করি তাহলে সেটা ফিক্সড জব করি।
প্রতিদিনই নির্দিষ্ট একটা টাইমে আমরা অফিস করি এবং মাস শেষে আমাদের একটা সেলারি জেনারেট হয় কিন্তু ফ্রিল্যান্সাররা অনলাইনে ফিক্সড কোন কোম্পানি জন্য ফিক্সড জব করে না।
এবং নির্দিষ্ট মাস ধরে পুরে সময় তারা কাজ করে না,তারা কন্টাক বেসিস কাজ করে এবং একাধিক কম্পানির সাথে কাজ করে যার জন্য তারা প্রতিমাসে একাধিক বার পেমেন্ট পেয়ে থাকে।
যেমনঃ ধরুন একজন ওয়েব ডেভলোপার সে ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারে, সে একমাসে দশটা (১০) কোম্পানির জন্য ওয়েব সাইট তৈরী করলো তাহলে সে দশ বার কিন্তুু পেমেন্ট পেলো এবং সেটা যত টাকাই হোক ৫০$ করে হলে ৫০০$,১০০$ করে হলে ১০০০$ জাস্ট একটা এক্সজাম্পল বললাম।
একই ভাবে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার সেও যদি লোগো ডিজাইন করে দেয় সেও দশবার আর্নিং করতে পারবে। কিন্তু সাধারণভাবে আমরা যদি কোন কোম্পানিতে ফিক্সড জব করি তাহলে পুরো মাস শেষে আমরা মাত্র একবার আর্নিং করতে পারি যার জন্য ফিল্যান্সারদের আর্নিং সাধারণ জব পারসনদের থেকেও অনেক আংশে বেশি হয়ে থাকে আর পেমেন্ট গুলোও যেহেতু ডলারে হয় সেহেতু আর্নিয়ের পরিমানটাও বেশি হয়।
আমি জব পারসনদের সাথে ফিল্যান্সারদের কোন তুলনা করছি না জাস্ট আপনাকে বোঝানোর জন্য সাধারণ কয়েকটা এক্সজাম্পল দিলাম।
আপনি যদি অলরেডি কোন কাজ পেরে থাকেন যেমন আমি ওয়েব সাইড তৈরী করতে পারি,কম্পিউটার প্রোগ্রামিং পারি সো এটার উপর আমি ফ্রিল্যান্সিং করি।বিভিন্ন কম্পানির জন্য আমি ওয়েবসাইট তৈরি করে দেই ধরুন আপনার জন্য একটা ওয়েবসাইট লাগবে আপনি আমাকে দিয়ে একটা ওয়েবসাইট করিয়ে নিতে পারেন।অনলাইনে আপনি আমাকে দিয়ে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করিয়ে নিচ্ছেন এটাই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সি। আবার আপনিও ফ্রিল্যান্সার হতে চান তাহলে আপনার মধ্যে কোন স্কিলটা আছে।যদি কোন স্কিল না থাকে তাহলে যে কোন একটা বিষয়ে আপনি নিজেকে দহ্ম করে নিতে পারলেই সে বিষয়টা দারায় আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস,
শুরুতে আমি আপনাকে বলবো ফ্রিল্যান্সিং জিনিস টা আসলে কি? ফ্রিল্যান্সিং আসলে জবের মতোই।আমরা যদি কোন কম্পানিতে জব করতে চাই তাহলে আমরা কি করি?
ঐ কোম্পানি সার্রকুলার দিলে তখন আমরা জবের জন্য এপ্লাই করি, সিভি সাবমিট করি এবং জবটি হয়ে গেলে সে কোম্পানিতে নির্দিষ্ট একটি দায়িত্ব পালন করতে থাকি।
এবং পার মান্থ একটা সেলারি জেনারেট হয় সে কাজের বিনিময়ে তো ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে সে ধরনের একটি জব।
অনলাইনে বিভিন্ন কম্পানি বিভিন্ন মানুষদেরকে হায়ার করে থাকে সে কোম্পানি গুলোর বিভিন্ন কাজ করে দেয়ার জন্য।যেমন কোন কোম্পানি যদি নতুন লঞ্চ হয় তার একটা লোগো দরকার তো সে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে হায়ার করে করিয়ে নেয়,আবার একটা কম্পানির ওয়েব সাইটেরও প্রয়োজন সো, সে একজন ওয়েব ডেভলোপারকে হায়ার করে অনলাইনে সে কোম্পানি তাদের জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করে নেয়।
আমি যেমন একজন ওয়েব ডেভেলপার , আমি বিভিন্ন কোম্পানির জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করে দেই এবং এটার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করি অথাৎ আপনি অনলাইনে আপনার যে দক্ষতা বা স্কিল আছে অথবা যে বিষয়টি আপনি জানেন বা ভবিষ্যতে শিখে নেবেন সেই দক্ষতা দ্বারা আপনি বিভিন্ন কোম্পানিকে সহযোগিতা করবেন বিনিময়ে সেই কোম্পানি আপনাকে পেমেন্ট করবে।
কিন্ত নরমালি আমরা যে জব গুলি করি তার সাথে ফ্রিল্যান্সিয়ের একটা ডিফারেন্স আছে আর সেটা হচ্ছে আমরা যদি লোকালি আমাদের বাংলা দেশী কোন কোম্পানিতে জব করি তাহলে সেটা ফিক্সড জব করি।
প্রতিদিনই নির্দিষ্ট একটা টাইমে আমরা অফিস করি এবং মাস শেষে আমাদের একটা সেলারি জেনারেট হয় কিন্তু ফ্রিল্যান্সাররা অনলাইনে ফিক্সড কোন কোম্পানি জন্য ফিক্সড জব করে না।
এবং নির্দিষ্ট মাস ধরে পুরে সময় তারা কাজ করে না,তারা কন্টাক বেসিস কাজ করে এবং একাধিক কম্পানির সাথে কাজ করে যার জন্য তারা প্রতিমাসে একাধিক বার পেমেন্ট পেয়ে থাকে।
যেমনঃ ধরুন একজন ওয়েব ডেভলোপার সে ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারে, সে একমাসে দশটা (১০) কোম্পানির জন্য ওয়েব সাইট তৈরী করলো তাহলে সে দশ বার কিন্তুু পেমেন্ট পেলো এবং সেটা যত টাকাই হোক ৫০$ করে হলে ৫০০$,১০০$ করে হলে ১০০০$ জাস্ট একটা এক্সজাম্পল বললাম।
একই ভাবে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার সেও যদি লোগো ডিজাইন করে দেয় সেও দশবার আর্নিং করতে পারবে। কিন্তু সাধারণভাবে আমরা যদি কোন কোম্পানিতে ফিক্সড জব করি তাহলে পুরো মাস শেষে আমরা মাত্র একবার আর্নিং করতে পারি যার জন্য ফিল্যান্সারদের আর্নিং সাধারণ জব পারসনদের থেকেও অনেক আংশে বেশি হয়ে থাকে আর পেমেন্ট গুলোও যেহেতু ডলারে হয় সেহেতু আর্নিয়ের পরিমানটাও বেশি হয়।
আমি জব পারসনদের সাথে ফিল্যান্সারদের কোন তুলনা করছি না জাস্ট আপনাকে বোঝানোর জন্য সাধারণ কয়েকটা এক্সজাম্পল দিলাম।
আপনি যদি অলরেডি কোন কাজ পেরে থাকেন যেমন আমি ওয়েব সাইড তৈরী করতে পারি,কম্পিউটার প্রোগ্রামিং পারি সো এটার উপর আমি ফ্রিল্যান্সিং করি।বিভিন্ন কম্পানির জন্য আমি ওয়েবসাইট তৈরি করে দেই ধরুন আপনার জন্য একটা ওয়েবসাইট লাগবে আপনি আমাকে দিয়ে একটা ওয়েবসাইট করিয়ে নিতে পারেন।অনলাইনে আপনি আমাকে দিয়ে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করিয়ে নিচ্ছেন এটাই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সি। আবার আপনিও ফ্রিল্যান্সার হতে চান তাহলে আপনার মধ্যে কোন স্কিলটা আছে।যদি কোন স্কিল না থাকে তাহলে যে কোন একটা বিষয়ে আপনি নিজেকে দহ্ম করে নিতে পারলেই সে বিষয়টা দারায় আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস,
ফাইবার
আপওয়ার্ক
ফ্রিল্যান্সার
এই মার্কেটপ্লেস গুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানিকে আপনি সহযোগীতা করতে পারবেন যেমন আপনি যদি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড পারেন,মাইক্রোসফট এক্সেল পারেন, এগুলোর দ্বারাও ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।
Bangladeshi Freelancing Website (Marketplaces)
আপওয়ার্ক
ফ্রিল্যান্সার
এই মার্কেটপ্লেস গুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানিকে আপনি সহযোগীতা করতে পারবেন যেমন আপনি যদি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড পারেন,মাইক্রোসফট এক্সেল পারেন, এগুলোর দ্বারাও ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।
Bangladeshi Freelancing Website (Marketplaces)
Belancer.com
KajKey.com
এছাড়াও বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকেও কাজ করতে পারেন।
অলমোস্ট যে কোন কাজ দ্বারাই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সাররা মূলত কন্ট্রাক্টর,তারা কন্ট্রাক বেসিসকাজ করে থাকে।
তারা ফিক্সড জবে কাজ করে ন। একটা স্বাধীনতা আছে ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে। তারা চাইলে এ মাসে দশজন ক্লাইন্ডের জন্য কাজ করলো,চাইলে বিশ জনের জন্য কাজ করল। আবার চাইলো কারো জন্য কাজ করলো না।
একটা স্বাধীনতা আছে ফ্রিল্যান্স লাইফে।বেশি আর্নিয়ের পাশাপাশি আবার কিছুটা ইনসিকিউরিটি আছে যদি আপনার কাছে কোন ক্লাইন্ডই না থাকে। যদি আপনি কোন ক্লাইন্ডই না পান তাহলে ইনকাম না হওয়ারও চান্স আছে।কিন্তু আপনি যদি কোন বিষয়ে খুব ভালোভাবে স্কিল ডেভোলপ করে নিতে পারেন তাহলে বেকার বসে থাকার সম্ভাবনাও খুবই কম।
তাই ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে যে কোন একটি বিষয়ে আপনাকে পারদর্শী হয়ে নিতে হবে তারপর যে কোন মার্কেটপ্লেসে আপনি জয়েন করার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানিকে সহযোগীতা করার মাধ্যমে আপনিও একটি সাস্তেনেবল ক্যারিয়ার ডেভোলপ করতে পারেন।
তো বন্ধুরা এটা তো গেলো ফ্রিল্যান্সিং কিন্তু এ ফ্রিল্যান্সিং করা ছাড়াও আরও বিভিন্ন উপায়ে ক্যারিয়ার ডেভলোপ করতে পারেন।
যার মধ্যে ইউটিউবিং হচ্ছে একটা। একটি ইউটিউব চ্যানেল শুরু সেখানে আপনারা বিভিন্ন ভিডিও তৈরী করতে পারেন।ইউটিউব চ্যানেল থেকেও বিভিন্ন উপায়ে আপনি আপনার ক্যারিয়ার ডেভলোপ করতে পারেন।
ইউটিউবিং এর পাশাপাশি আরেকটি বিষয় হচ্ছে ব্লগিং।আপনার একটি ওয়েবসাইটে আপনি যে বিষয়গুলি পারেন বা যে বিষয় গুলি জাবা আছে সে বিষয় গুলির উপর লিখালিখি করবেন।একটা ওয়েবসাইটে ব্লগিং করার মাধ্যমেও বিভিন্ন ভাবে ক্যারিয়ার ডেভলোপ করা যায়।
ফ্রিল্যান্সিং ছাড়াও অনলাইনে ক্যারিয়ার বিল্ড করার জন্য আরেকটি মাধ্যম হলো অনলাইনে বিভিন্ন প্রোডাক্ট সেল করা যেটাকে বলে ই-কর্মাস।
এই ই-কর্মাসের উপর বিভিন্ন কোর্স রয়েছ। প্রয়োজনে আপনারা সেগুলো দেখে নিতে পারেন।অথাৎ ইউটিউবিং বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্লগিং করা বা ই-কমার্স করা এগুলোতে আপনি আসলে ফ্রিল্যান্সিং করবেন না। আপনার নিজের একটা কোম্পানি আপনি শুরু করবেন। আপনার একটা ইউটিউব চ্যানেল শুরু করা মানে এখানে আপনি কারো জন্য কাজ করবেন না,নিজের জন্য কাজ করবেন।ধরুন আপনার মন চাইলো আপনি একটা ভিডিও আপলোড করলেন। মন চাইলো না কোন ভিডিও আপলোড করলাম না।
এছাড়া আপনি কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করতে হয় ঐ বিষয় নিয়ে আরেকটি আর্টিকেল পাবলিশ করেছি,
কোন ক্লাইন্ডের জন্য কাজ করতে হলো না। ঠিক ওয়েবসাইটেও আপনার যখন ইচ্ছ, যখন আপনি ফ্রি টাইমে আছেন আপনার পছন্দের বিষয় নিয়ে লিখালিখি করলেন।সেখানেও আপনাকে কোন ক্লাইন্ডের জন্য কাজ করতে হলো ন। আপনি সর্ম্পূন স্বাধীনভাবে যখন ইচ্ছা কাজ করলেন।আপনার যখন মন চায় কন্টেন্ট পার্বলিস করলেন, যখন মন না চায় করলেন না।
আবার ই-কর্মাস বিজনেস এ আপনি যতহ্মন কাজ করবেন ততটা ফিডব্যাক পাবেন।এটা আপনার নিজের বিজনেস। তো অনলাইনে বিভিন্ন উপায় আছে আপনার ক্যারিয়ার ডেভলোপ করার।
আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে বিভিন্ন কম্পানিকে সহযোগিতা করতে পারেন বিজনেস কে আরো গ্রো করতে অথবা আপনি নিজে একটা ইউটিউব চ্যানেল বা ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স বিজনেস শুরু করেও একটা ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন।
যার কাছে যেটা ভালো লাগে,আমি ফ্রিল্যান্সিংও করছি,ইউটিউবিংও করছি আবার ব্লগিংও করছি।আপনার যেটা ভালো লাগে আপনি সেটা নিয়ে করবেন। ফ্রিল্যান্সিয়ের পাশাপাশি অন্যান্য উপায় গুলোও বলে দিলাম যেন আপনি ডিসাইড করতে পারেন আপনার জন্য কোনটা ভাল। আমি রিকমেন্ড করছি এই রিলেটেন সকল আর্টিকেল পড়ার জন্য।তাহলে সম্পূনভাবে জেনে যেতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব
এখন আমি বলবো আপনি কিভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে উঠতে পারেন।
একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে ওঠার জন্য যে বিষয়টি করতে হবে সেটা হলো যে কোন বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে হবে।যেমন ধরুন আমি ওয়েব ডেভলোপার, আমি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং করি,এই বিষয়ে আমি নিজেকে দক্ষ করে তুলেছি।আবার ইউটিউবে ভিডিও তৈরী করার জন্য ভিডিও এডিটিং তারপর যতকিছু লাগে ভিডিও তৈরি করতে এই বিষয় গুলো আমি শিখে নিয়েছি।আবার ব্লগিং ও করি। আমি লিখালিখিও করতে পারি।
এখন অনলাইনে এত এত ক্যাটাগরি, এত এত সাবজেক্ট আছে যে আপনি চাইলেও সবগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারবেন না।শুরুতে যে কোন একটি টপিককে পছন্দ করুন।
একটি সাবজেক্ট পছন্দ করুন,সেটাই সম্পূন মনযোগ দিয়ে করুন।এটা করার জন্য অনলাইনে যে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস গুলো আছে,ফাইবার,আর্পওয়াক এই মার্কেটপ্লেস গুলো একবার ভিজিট করুন।
তাদের জব ক্যাটাগরি গুলো দেখুন।কত ধরনের জব সেখানে পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করুন।তারপর আপনি নিজেকে জিজ্ঞেস করুন কোন বিষয়টা আপনার জন্য বেষ্ট হতে পারে,কোন বিষয়টা আপনার সবথেকে ভালো লাগে।যে বিষয়টা আপনার ভালো লাগবে সে বিষয়টাই পছন্দ করবেন শুরু করার জন্য।
এখানে একটা প্রশ্ন আছে যেটা প্রায় সময়ই সবার মনে হয় যে আমি কোথায় গেলে ভালো শিখতে পারবো। কোথায় ভর্তি হতে পারি।আসলে আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে যেটা দেখেছি যারাই অনলাইনে খুব সাকসেসফুলি কাজ করছে তারা বিভিন্ন
ওয়েবসাইটের আর্টিকেল পরে পরে শিখেছ,
ইউটিউবে ভিডিও দেখে দেখে শিখেছে
এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স পাওয়া যায়। বিভিন্ন বিষয়ে কোর্স আছে যদিও প্রায় সব ইংরেজিতে, এছাড়াও বাংলাদেশেও অনেক অনেক মেন্টর,বিভিন্ন বিষয়ের উপর অনলাইন কোর্স তৈরী করছে।আপনি সেখান থেকেও শিক্ষে নিতে পারেন এছাড়াও পাশাপাশি আপনি যদি আপনার আশেপাশে ভালো কোন কোচিং সেন্টার বা কোন মেন্টরের সন্ধান পান আপনি সেখান থেকেও শিক্ষে নিতে পারেন।
মূল বিষয়টি হলো আপনি যে বিষয়টি পছন্দ করবেন সে বিষয়টি এখন আপনি যত তারাতারি সম্ভব শিক্ষে নিতে পারেন।সেটা বাসার পাশে থেকে শিখুন, বা অনলাইন থেকে শিখুন সেটা আপনার ইচ্ছা।
আমি রিকমেন্ড করবো আপনি আশেপাশে যত রির্সোচ পান সেটা হতে পারে বই,হতে পারে
ইউটিউবে ভিডিও দেখে দেখে শিখেছে
এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স পাওয়া যায়। বিভিন্ন বিষয়ে কোর্স আছে যদিও প্রায় সব ইংরেজিতে, এছাড়াও বাংলাদেশেও অনেক অনেক মেন্টর,বিভিন্ন বিষয়ের উপর অনলাইন কোর্স তৈরী করছে।আপনি সেখান থেকেও শিক্ষে নিতে পারেন এছাড়াও পাশাপাশি আপনি যদি আপনার আশেপাশে ভালো কোন কোচিং সেন্টার বা কোন মেন্টরের সন্ধান পান আপনি সেখান থেকেও শিক্ষে নিতে পারেন।
মূল বিষয়টি হলো আপনি যে বিষয়টি পছন্দ করবেন সে বিষয়টি এখন আপনি যত তারাতারি সম্ভব শিক্ষে নিতে পারেন।সেটা বাসার পাশে থেকে শিখুন, বা অনলাইন থেকে শিখুন সেটা আপনার ইচ্ছা।
আমি রিকমেন্ড করবো আপনি আশেপাশে যত রির্সোচ পান সেটা হতে পারে বই,হতে পারে
অনলাইন কোর্স,
আপনার বাড়ির পাশে কোন মেন্টর,
কোন কোচিং সেন্টার
এই প্রতিটি সেক্টরে ট্রাই করুন এবং সবগুলো প্লেস থেকেই আপনি শেখার চেষ্টা করুন।
এতে করে আপনি যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনি শিখতে চাচ্ছেন সে বিষয়টি সম্পর্কে যতটুকু সম্ভব আপনি জেনে যেতে পারবেন।অনলাইনে যে এত এত টপিকের উপর কাজ পাওয়া যায় এই টপিকগুলো শেখানোর মত বাংলাদেশে আসলে যথেষ্ট শিহ্মক বা মেন্টর নেই।
তাই যতটুকু আপনার হাতের কাছে আছে ততটুকুকেই ব্যবহার করুন।এবং সেটাকে ব্যবহার করে নিজের স্কিলকে ডেভলোপ করুন।আপনার পার্সোনাল ডেভলোপমেন্ট স্কিলের উপর কিছু ইনভেস্ট করুন।কারণ যত বেশি আপনার পার্সোনাল ডেভলপমেন্টর উপর ইনভেস্ট করবেন এই পার্সোনাল ডেভলোপমেন্টটাই একটা সময় আপনাকে অনেক বড় ফিডব্যাক দিবে।
শুরুর দিকে হয়তো আপনি দেখতে পাবেন না কোন রেজাল্ট, একটা সময় গিয়ে দেখতে পাবেন এই স্কিলগুলো আপনাকে দারুনভাবে ফিডব্যাক দিবে।
আরো একটা বিষয় বলবো আপনারা সটকার্ট বিষয়গুলো এরিয়ে চলার চেষ্টা করুন যতটুকু সম্ভব।শটকার্ট পথ গুলো থেকে কিছুটা আর্নিং হলেও তা চিরস্থায়ী হয় না।খুব দ্রুতই পথ গুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছ। নতুন নতুন শটকার্ট পথে আপনি দৌড়াতে থাকবেন কিন্তু কখনোই আপনি সফল হতে পারবেন না।
তাই শটকার্ট পথ গুলো এরিয়ে চলার চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব।পাশাপাশি একটা সলিড বিষয় শেখার চেষ্টা করুন। সেটা হতে পারে
গ্রাফিক্স ডিজাইন,
ওয়ার্ডপ্রেস ডেভলোপমেন্ট,
সফটওয়ার ডেভলোপমেন্ট,
এসইও
কন্টেন্ট রাইটার
এগুলোর পাশাপাশি আরো অনেক বিষয় আছে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য। আপনার যেটা ভালো লাগে আপনি সেটাই শিখতে শুরু করুন।
ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার
পরিশেষে একটা কথাই বলবো ইন্টারনেট আমাদের সবার জন্যই একটি অফরসোনিটি।এখানে সত্যিই অনেক ভালো মানের ক্যারিয়ার ডেভলোপ করা সম্ভব যদি আপনি ধৈর্য ধরেন এবং কিছুটা পরিশ্রম করতে রাজি থাকেন,কিছুটা পড়াশুনা করার মানুষিকতা থাকে তাহলে আপনি আজকে হোক আর কালকে অনলাইনে একটা দারুন ক্যারিয়ার ডেভলোপ করে ফেলতে পারবেন।
আপনি লাইফটাইম একটা স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। অনলাইনে কাজের সবথেকে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি যে কোন জায়গায় থেকে কাজ করতে পারছেন।
আশা করি সবাই ভালো কিছু করবেন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।ধন্যবাদ।